নিউজপোল ডেস্ক:‌ মাসের ওই পাঁচটা দিনের কথা ভাবলে সব মেয়েরই কমবেশি কান্না পায়। বিরক্তি লাগে। তলপেট যেন কামড়ে ধরে একটা বিছে!‌ অসম্ভব যে অনুভূতি। কাউকে বোঝানো যায় না। কারণ দুনিয়ার পঞ্চাশ শতাংশ মানুষ কখনও এই যন্ত্রণা অনুভবই করেননি। তাদের কাছে এসব নেহাতই ‘‌মেয়েলি’‌। অনেকে আবার ‘‌নাটক’‌ বলে হেসে উড়িয়ে দেন। শুধু পুরুষ নয়, অনেক মহিলাও এসব বলে থাকেন। এটা যে ‘‌নাটক’‌ নয়, সেটাই বোঝেন না তাঁরা।‌


এবার সেই দিন শেষ। ঋতুস্রাবের ব্যথা যে সত্যিই কষ্টকর, তা বললেন খোদ চিকিৎসকরা। কতটা কষ্ট হয় এই ক’‌টা দিনে, তা বোঝাতে একটি তুলনাও দিয়েছেন তারা। জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাক হলে যতটা কষ্ট পেতে হয়, এই ঋতুস্রাবের সময় কোনও কোনও মেয়ে ততটাই যন্ত্রণা সহ্য করে। কৈশোর এবং মেনোপজের আগে এই ব্যথা বাড়ে। মাঝের কয়েকটা বছর হয়তো একটু কম হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বহু মহিলার পুরো সময়সীমা জুড়েই ভোগায় ঋতুস্রাব।
এই তথ্য দিয়েছেন ডা.‌ জন গিলবোড। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের রিপ্রোডাকটিভ হেলথ বিভআগের অধ্যাপক তিনি। একটি গবেষণা করে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, যে ঋতুস্রাবের ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের থেকেও যন্ত্রণাদায়ক। এক তরুণীর কথায়, গিলবোডের এই গবেষণাপত্র সব সংস্থাগুলোর পড়া দরকার। তাহলে অন্তত মহিলা কর্মীরা ঋতুস্রাবের সময় ছুটি চাইলে দিতে অস্বীকার করবে না।