মহাকাশবিজ্ঞানীরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, গত ৫০ বছরের তুলনায় পৃথিবীর গতি এই সময়ে সব চেয়ে বেশি। এমন আবার হয় নাকি? পৃথিবীর গতি-টতি এসব তো শাশ্বত ব্যাপার। এর আবার কম-বেশি কী? না, এ নিয়ে আশ্চর্যের কিছু নেই। এমনটা বিরল কিন্তু অস্বাভাবিক কিছু নয়।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, গত কয়েক দশক ধরে যেমন নিজের অক্ষের উপরে পাক খেতে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময়ই নিচ্ছিল পৃথিবী। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ২০২১ সালে নিজের অক্ষের চার দিকে পাক খেতে-খেতে ২৪ ঘণ্টার কম সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করবে পৃথিবী। তবে ২০১৯-এর জুন থেকে সেই ঘূর্ণন-পর্ব ০.৫ মিলিসেকেন্ড কম সময়ে শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্যও কমেছে।

এর আগে ২০০৫ সালের ৫ জুলাই দিনের দৈর্ঘ্য সব চেয়ে কম ছিল। ২০২০-তে সেই রেকর্ড অবশ্য একাধিকবার ভেঙে যায়। ২০১৯-এর ১৯ জুলাই দিনটি এখনও পর্যন্ত সব চেয়ে কম দৈর্ঘ্যের। বিজ্ঞানীদের দাবি, ২০২১ সালে এই গতি আরও বেশি হতে চলেছে। অর্থাৎ, নিজের অক্ষের উপর পাক খেতে আরও কম সময় নেবে নীল রঙের এই গ্রহ। ভেঙে যাবে ২০১৯-এর রেকর্ড।

প্রসঙ্গত, বছর তিন আগে পৃথিবীর ঘূর্ণনের এক বিরল ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন আরেহ নিরেনবার্গ নামের এক চিত্রগ্রাহক। পৃথিবীর ঘূর্ণন ক্যামেরাবন্দি করতে ‘ইকুইটোরিয়াল ট্র্যাকিং মাউন্ট’ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলেন তিনি। ধ্রুবতারার সঙ্গে সমান্তরাল ভাবে ছায়াপথের দিকে মুখ করে ক্যামেরা বসিয়ে ভিডিয়োটি তুলেছিলেন তিনি। এখন, পৃথিবীর ঘূর্ণন-সংক্রান্ত খবর নিয়ে চর্চা শুরু হতেই তিন বছর আগের তোলা সেই ভিডিয়োটি নিয়েও শুরু হয়েছে বিপুল চর্চা।