নিউজপোল ডেস্ক: একই জাত নয়, তাই বাড়ি থেকে সম্পর্ক মেনে নেয়নি। হতাশা, অবসাদে আত্মঘাতী হলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার যুগল। এই ঘটনার কথা জানতে পেরে একদা আম আদমি পার্টির সদস্য তথা কবি তথা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কুমার বিশ্বাস দুই পরিবারকে বললেন, ‘এবার দুই পরিবার মিলে জাত ধর্ম নিয়ে যত ইচ্ছে খারাপ করো। জাহান্নমে যাক জাত নিয়ে অহঙ্কার।’

বেঙ্গালুরুর হেবাগোডি থানা এলাকায় থাকতেন অভিজিৎ মোহন (২৬) এবং শ্রীলক্ষ্মী এস (২১)। দুজনেই ইলেকট্রনিক সিটি (ফেজ-২) এলাকায় আলাদা আলাদা বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতেন। প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ দুজনে বিয়ের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন নিজের নিজের বাড়িতে। কিন্তু বাড়ি থেকে মেনে নেয়নি এই সম্পর্ক কারণ দুজনের জাত ছিল আলাদা। বন্ধু মহলের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে অভিজিৎ এবং শ্রীলক্ষ্মী বাড়িতে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেও বিফল হয়েছিলেন। এরপরে দুজনেই বাড়িতে জানিয়ে দেন তাঁরা বিয়ে করতে চলেছেন।

৯ অক্টোবর থেকে বাড়ির ফোন তোলাও বন্ধ করে দেন প্রেমিক যুগল। এরপর একটা সময় ফোন সুইচ অফ করে দেন তাঁরা। বিয়ে না করে শেষ পর্যন্ত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন অভিজিৎ ও শ্রীলক্ষ্মী। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কুমার বিশ্বাস। প্রেমিক যুগলের পরিবারকে এই মর্মান্তি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেন তিনি।