নিউজপোল ডেস্কঃ সন্ত্রাসবাদ দমনে কোনও ভুমিকাই পালন করেনি পাকিস্তান। সেই মতে ২০০৮ সাল থেকেই ইমরান খানের দেশকে ধূসর তালিকায় রেখে দিল এফএটিএফ(financial Action Task Force)। যার পরিনতি দাঁড়িয়েছে মারাত্মক। ধূসর তালিকায় অন্তরভুক্ত থাকার কারনে ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে পাকিস্তানের। যা এক কথায় দেশের অর্থনীতির কাছে বড় ধাক্কা।

ইসলামাবাদ ভিত্তিক একটি থিঙ্কট্যাঙ্কের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এফএটিএফ দ্বারা পাকিস্তানের ধারাবাহিক ধূসর তালিকায় থাকার ফলে ইতিমধ্যে দেশের জিডিপিতে ৩৮ বিলিয়ন ডলার লোকসান হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায়  ২ লক্ষ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। যার কারনে রফতানির পরিমাণ এবং এফডিআই উভয়ই হ্রাস পেয়েছে ব্যাপক হারে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এফএটিএফ-এর এই তালিকায় থাকায় পাকিস্তানের প্রায় ১৩.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়েছিল। ২০১৫ সালের জুনে পাকিস্তান এফএটিএফ ধূসর তালিকা থেকে বাইরে থাকলেও। সেই বছর ১.৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি হ্রাস হয়েছে।

২০১৭ এবং ২০১৮ সালে কিছুটা অর্থনৈতিক উন্নতি হলেও পাকিস্তানকে আবারও ধূসর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। যার ফলে ২০১৯ সালে লোকসানের পরিমান দাঁড়ায় ১০.৩১ বিলিয়ন ডলার। যদিও গত ১২ বছর ধরে পাকিস্তানের সরকার জনগণকে বুঝিয়ে যাচ্ছেন যে ধূসর তালিকায় থাকার কারণে দেশের তেমন আর্থিক ক্ষতি হয়নি। তবে, পাকিস্তানের স্বাধীন থিঙ্কট্যাঙ্কের এই গবেষণামূলক প্রতিবেদন বিষয়টিকে জলের মতো পরিষ্কার করে দিয়েছে। যেখানে  প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, ‘পাকিস্তানের অর্থনীতিতে এফএটিএফ গ্রে-লিস্টিংয়ের প্রভাব’।