নিউজপোল ডেস্ক: বইয়ের দাম বাড়ছে। সাধ থাকলেও ক্রেতার সাধ্যে কুলোচ্ছে না। তাই বইয়ের সঙ্গে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব। আপনি হয়ত জানেন না, পৃথিবীর ৮৮টি দেশে প্রায় ৮০,০০০ মুক্ত গ্রন্থাগার রয়েছে। যেখানে থিম, ‘টেক এ বুক, শেয়ার এ বুক’ (বই নিন এবং বই শেয়ার করুন)।
আমেরিকার শার্লি আর্মিটেজ হাওয়ার্ড নামে এক ভদ্রমহিলা তৈরি করেন ‘লিটল ফ্রি লাইব্রেরি’। ১০০ বছরের বেশি বয়সি গাছকেই তিনি একটি সুদৃশ্য গ্রন্থাগারের রূপ দেন। যার দরজা সাধারণের জন্য উন্মুক্ত। সোশাল মিডিয়া এবং একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে সেই ছবি। তবে অনেকেই মনে করেন এই গ্রন্থাগার শিশুদের জন্য। কিন্তু হাওয়ার্ড আপত্তি জানান। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, প্রাপ্তবয়ষ্করাও এই গ্রন্থাগারে আসতে এবং বই পড়তে পারেন।’
এই মুক্ত গ্রন্থাগারের ধারণা প্রথম দিয়েছিলেন আমেরিকানিবাসী টড হার্বার্ট বল। পেশায় গ্রন্থাগারিক। তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল, বই ও পাঠকের মধ্যে দূরত্ব কমানো। বহুদিনের চেষ্টায় শুরু করেন মুক্ত গ্রন্থাগার। উন্মুক্ত তার দরজা। চাইলেই ঢুঁ মারতে পারেন এই অভিনব গ্রন্থাগারে। ইচ্ছে মতো বই পড়তে পারেন। বিনা খরচে।