গোয়ার সাধারণ নাগরিকদের জন্য কোনও কাজ করেনি বিজেপি। এই অভিযোগে মঙ্গলবার এনডিএ ছাড়াল গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি। দলের নেতা বিজয় সরদেশাইয়ের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়ে এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসার কথা জানানো হয়েছে।

তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে জুলাই মাস থেকে তাদের সঙ্গে এনডিএ-র সম্পর্ক কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের দাবি, গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি এনডিএ ছাড়লেও রাজ্য মন্ত্রিসভায় তার কোনও প্রভাব পড়বে না। ৪০ আসনের গোয়া বিধানসভায় এমনিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ-র প্রমোদ সাওয়ান্তের সরকার। ২০১৭ সালে বিধানসভা ভোটে এনডিএ-কে সমর্থন করেছিল গোয়া ফরওয়ার্ড পাটি। ৩টি আসনে জয়ী হয়েছিল জিএফপি। কিন্তু ২০১৯ সালে মনোহর পারিকরের মৃত্যুর পরেই বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। প্রমোদ সাওয়ান্ত মন্ত্রিসভা থেকে ছেঁটে ফেলা হয় জিএফপির ৩ বিধায়ককে।

তারপর থেকেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। অবশেষে মঙ্গলবার এনডিএ ছাড়ার সিদ্ধান্ত। সামনের বছরই গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, ভোটের আগে এনডিএ’র শক্তি হ্রাস পাওয়ায় কিছুটা হলেও ধাক্কা খেল বিজেপি।

গত ডিসেম্বরে নতুন কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া কৃষক বিক্ষোভের চাপে পরপর এনডিএ’র সঙ্গ ছেড়েছিল একাধিক দল। রাজস্থানের রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টি কিংবা পঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দলও গেরুয়া শিবির ত্যাগ করেছিল। সেই সময় বিজেপি কটাক্ষ করে শরদ পওয়ারের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি দাবি করেছিল, একে একে সব জোটসঙ্গীই বিজেপিকে ছেড়ে যাবে এবং অচিরেই এনডিএ ধূলিসাৎ হবে।