নিউজপোল ডেস্ক:‌ অক্সফাম–এর একটি সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, অর্থনৈতিক কাঠামোর একেবারে শেষ তলায় রয়েছেন মহিলা এবং কিশোরীরা। সবথেকে কম সুবিধা পান তাঁরা। কথাটা ভুল নয়। সমাজে সব শ্রেণীর মেয়েরাই এই বৈষম্যের শিকার। একই কাজ করে পুরুষদের তুলনায় কম বেতন পান তাঁরা। কখনও আবার পান না। দেশের মহিলা ক্রিকেটাররাও ব্যতিক্রম নন।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্ষিক চুক্তির নথি প্রকাশ করেছে বিসিসিআই। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে চুক্তি। সেখানে লিঙ্গ বৈষম্য স্পষ্ট। পুরুষ ক্রিকেটারদের জন্য নতুন ‘‌এ প্লাস’‌ ক্যাটেগরি এনেছে বোর্ড। সেই ক্যাটেগরিতে রয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই ক্যাটেগরির অন্তর্ভুক্ত ক্রিকেটারদের বেতন সাত কোটি টাকা।
পুরুষ ক্রিকেটারদের চারটি ক্যাটেগরিতে রাখা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়েছে বেতন। ক্যাটেগরিগুলো হল— এ প্লাস, এ, বি, সি। এ প্লাস ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন সাত কোটি টাকা বেতন। এ ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন পাঁচ কোটি টাকা। বি ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন তিন কোটি টাকা। সি ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন এক কোটি টাকা।
মহিলা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে মাত্র তিনটি ক্যাটেগরি রাখা হয়েছে। এ ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন ৫০ লক্ষ টাকা। এ ক্যাটেগরির পুরুষ ক্রিকেটারদের ১০ ভাগের এক ভাগ। বি ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন ৩০ লক্ষ টাকা। সি ক্যাটেগরির ক্রিকেটাররা পাবেন ১০ লক্ষ টাকা। এই নিয়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। দেশের ক্রিকেট বোর্ড প্রকাশ্যে বৈষম্য তৈরি করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও এই নিয়ে বিসিসিআই কোনও মন্তব্য করেনি।