নিউজপোল ডেস্কঃ ১০ ফেব্রুয়ারি কালিয়াগঞ্জের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীর সভা হবে রায়গঞ্জ স্টেডিয়ামে। আর শেষ মুহূর্তে এই স্থান বদলকে ঘিরে বঙ্গ রাজনীতি শুরু হয়েছে জোর চর্চা। আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারি বর্ধমান সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই মাটি উৎসবের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তারপর ১০ই ফেব্রুয়ারি মালদহে গিয়ে সভা করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার মালদহ সফরের পর সেই এক‌ই জেলার জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে। ১০ ফেব্রুয়ারি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের চান্দোল হাটে সভা করার কথা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই অনুযায়ী প্রশাসনিক আধিকারিক এবং তৃণমূল নেতারা চান্দোল হাট পরিদর্শন করেন। তারপর আচমকা সিদ্ধান্ত বদল। জেলা তৃণমূল জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল জানান, কালিয়াগঞ্জের বদলে রায়গঞ্জ স্টেডিয়ামে হবে সভা। রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণ করবে। তাই সভার আগে সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে হেলিকপ্টার অবতরণ করেও দেখা হবে।

সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ কেন এই স্থান বদল? স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, কালিয়াগঞ্জের চান্দোল হাটের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাই সেখানে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের পক্ষে পৌঁছতে সমস্যা হবে। তার পরিবর্তে রায়গঞ্জ স্টেডিয়ামে পৌঁছনো অনেক সুবিধাজনক। সে কারণে সেখানেই হবে সভা। তবে অনেকেই বলছেন, তৃণমূলের দাবি যুক্তিযুক্ত নয়।

তবে সূত্র মারফত জানা গেছে, কালিয়াগঞ্জে তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সেখানকার ফলাফল নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। আর তাই সেখানে সভা করার সিদ্ধান্ত বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বদল করা হয়েছে। রায়গঞ্জের পরিস্থিতিও বিশেষ ভাল নয়। তবে তুলনামূলক বিচারে কালিয়াগঞ্জের বদলে রায়গঞ্জের পরিস্থিতি ভাল। তাই সংগঠনের উন্নতিতে সেখানেই সভা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।