সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৯,৭০,৪৯২ জন।

নিউজপোল ডেস্ক: লোকসভার বাদল অধিবেশনের আগে বাধ্যতামূলক করোনা পরীক্ষায় এখনও পর্যন্ত ৫ সাংসদের দেহে ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে বলে খবর। এ দিন পরীক্ষা করান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুও।এর মাঝেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের আশ্বাসবাণী, ২০২১ সালের গোড়ার দিকে প্রতিষেধক তৈরি হয়ে যেতে পারে। এ নিয়ে আমজনতাকে আস্থা জোগাতে হলে নিজেই সেটি প্রথম নেবেন, জানান তিনি। দৈনিক নতুন করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা রবিবারের চেয়ে সামান্য কমল। গত শনিবার দৈনিক আক্রান্ত প্রায় ১ লক্ষের কাছাকাছি চলে যায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা। মৃত্যু হয় ১২০১ জন আক্রান্তের। সেই তুলনায় রবিবার কিছুটা কমে। একদিনে সংক্রমিত হয় ৯৪,৩৭২। সেই সংখ্যা আরও কিছুটা কমেছে সোমবার। তবে মৃত্যু হয়েছে ১১০০-রও বেশি মানুষের।

শুক্রবার সকালে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯২,০৭১ জনের শরীরে মিলেছে করোনাভাইরাস। নয়া সংক্রমণে মোট আক্রান্তের সংখ্য়া হয়েছে ৪৮,৪৬,৪২৭ জন। এখনও চিকিত্‍‌সাধীন রয়েছেন ৯,৮৬,৫৯৮ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭,৮০,১০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭০,৮৮০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে সুস্থতার হার ৭৭.৬৫%। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৯,৭২২। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১,১৩৬ জনের। মৃতের হার ১.৬৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯,৭৮,৫০০ জনের কোভিড পরীক্ষা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

দেশে দৈনিক নয়া করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা যদি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের একটি কারণ হয়, তবে অন্যটি নিঃসন্দেহে রোগমুক্তি-পরবর্তী জটিলতা। রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে নতুন ‘প্রোটোকল’ প্রকাশ করেছে তা থেকে স্পষ্ট, ‘করোনামুক্ত’ হওয়ার পরও শ্বাসকষ্ট, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া-সহ নানা ধরনের জটিলতায় ফের অসুস্থ হচ্ছেন অনেকে। এ বার তাই রোগমুক্তদের জন্য ‘পোস্ট-কোভিড কেয়ার’-এর নতুন প্রোটোকল আনল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই তালিকায় চ্যবনপ্রাশ, আয়ুষক্কাথ, হলুদ দেওয়া দুধ, অশ্বগন্ধা, আমলা ও মুলেঠি পাউডারের কথা বলা হয়। বেশ কিছু বিষয়ের উপরও নজর রাখতে বলা হয়। যেমন, জ্বর, রক্তে অক্সিজেন কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ফিরে এলেও সত্বর সতর্ক হওয়া দরকার। বিশেষত, যাঁদের তীব্র উপসর্গ ছিল তাঁদের ক্ষেত্রে রোগমুক্তির পর এহে নজরদারি জরুরি। সুষ্ঠু উপায়ে এই ‘পোস্ট-কোভিড কেয়ার’-এর ব্যবস্থা করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, আক্রান্তরাও যাতে হাসপাতালে আসন পান তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্র। তবে যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে এই ব্যবস্থা করা কঠিন। এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রের। এর পরেই স্থান অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটক ও উত্তরপ্রদেশের।