সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শীর্ষে পৌঁছে গেছে ভারত। সম্প্রতি কেমব্রিজ জাজ বিজনেস স্কুল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের ট্র্যাকার এই তথ্য়ই তুলে ধরেছে। তবে আগামীতে দেশের একাধিক রাজ্যে মারণ করোনা সংক্রমণের গ্রাফ যে এখনও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাও বিশদে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছে যাওয়াটা একপ্রকার ইতিবাচক হওয়ায় খানিকটা হলেও  স্বস্তি মিলেছে। কারণ এবার সংক্রমণের হার কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কেমব্রিজের ট্র্যাকার যারা বিশ্লেষণ করছেন, তাঁদের দাবি, বর্তমানে ভারতের সংক্রমণ গ্রামীন স্তরে পৌঁছে গিয়েছে শহর ছাড়িয়ে। তার ফলেই সংক্রামিতের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। ব্লুমবার্গ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে করোনাভাইরাসের যে প্রজাতি এখন ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে, তার ফলে সংক্রমণ বাড়ছে ঝড়ের গতিতে। আগামী দু–সপ্তাহে দেশের বেশ কিছু রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। তারই রাজ্যভিত্তিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করেছে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি। জানিয়েছে, অসম, হিমাচলপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ত্রিপুরাতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে আগামী ১৪ দিনে।

এটা ঘটনা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ৭ মে’‌র আগে পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ৭ মে ৪,১৪,১৮৮ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য মিলেছিল মাত্র ২৪ ঘণ্টায়। যা গতবছর আমেরিকায় সর্বোচ্চ সংক্রমণের ৩২ শতাংশ বেশি।  ৯ মে উল্লেখযোগ্যভাবে তা নেমে যায়। গত ৩ দিন আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৩ লক্ষের কোটাতেই। আশার কথা যে সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে যাওয়ার সংক্রমণ হয়ত কিছুটা কমবে। কিন্তু মৃতের সংখ্যা বাড়বে। তা চার হাজারের আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে।