নিউজপোল ডেস্ক: বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণ মুসলিম অধ্যাপক নিয়োগ নিয়ে চলছে ডামাডোল। গত ৭ নভেম্বর সংস্কৃত বিদ্যা ধর্ম বিজ্ঞান নিয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন ফিরোজ খান। এক শ্রেণির ছাত্র এই নিয়ে বিরোধিতা করে। এরপর থেকে লোকচক্ষুর অগোচরে চলে গেছেন ফিরোজ। যদিও শেষ অবধি পাওয়া খবরে জানা গেছে, বিএইচইউয়ের ছাত্র সংগঠন মুসলিম অধ্যাপকের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে। তাঁকে দ্রুত কাজে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মিছিলও করেছে।

এদিকে মুসলিম অধ্যাপকের সংস্কৃত পড়ানো নিয়ে ছাত্রদের একাংশের বিরোধিতা নিয়ে অদ্ভুত মন্তব্য করলেন বরিষ্ঠ বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তিনি বললেন, ছাত্রদের বিরোধিতা করা উচিত নয় কারণ ভারতীয় মুসলিমদের শরীরে আছে হিন্দু পূর্বজদের ডিএনএ!

স্বামী প্রথমে বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে যখন অধ্যাপক নির্বাচন করা হয়েছে তখন ছাত্রদের আপত্তি থাকবে কেন। তাঁর মুসলিম সমর্থনের মন্তব্য শুনে অবাক লাগলেও পরের বাক্যেই আসল রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ভারতীয় মুসলিমদের শরীরের রয়েছে হিন্দু পূর্বজদের ডিএনএ, এই কথা বলে তিনি বোঝাতে চাইলেন, ফিরোজ খানের পূর্বপুরুষ আদতে হিন্দু। তাই তাঁর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার মধ্যে কোনও সমস্যা থাকা উচিত নয়।

অবশ্য ফিরোজের সমর্থনে বলিউড অভিনেতা তথা সাংসদ পরেশ রাওয়ালও মুখ খুলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি অধ্যাপক ফিরোজ খানের বিরোধিতা দেখে স্তব্ধ। ভাষার সঙ্গে ধর্মের কিসের যোগাযোগ? সংস্কৃতে পিএইচডি করা ফিরোজের বিরোধিতা আসলে বিড়ম্বনার সামিল।’ পরেশ রাওয়ালের বক্তব্যের সঙ্গে সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর কথার মিল থাকলেও ডিএনএ নিয়ে তিনি যা মন্তব্য করলেন তাতে স্পষ্টতই অবাক রাজনৈতিক মহল।