নিউজপোল ডেস্ক: দেশের ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে ৫৬ ইঞ্চির বুকের ছাতি ফুলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হুঙ্কার চীন এবং পাকিস্তানকে নিশানা করে।

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা LAC (চিন সীমান্ত) থেকে নিয়ন্ত্রণরেখা LOC (পাকিস্তান সীমান্ত) হোক, কেউ ভারতের সার্বভৌমত্বের দিকে চোখ তুলে তাকালে তাদের ভাষাতেই যোগ্য জবাব দিয়েছেন ভারতীয় জওয়ানেরা। কেউ আমাদের সার্বভৌমত্বের দিকে চোখ তুলে দেখলে কী হতে পারে, তা আমাদের জওয়ানরা দেখিয়ে দিয়েছেন। লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে তাঁদের সম্মান জানাচ্ছি। এমন ভাষাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীন আর পাকিস্তান নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

পূর্ব লাদাখে চীনের আগ্রাসন এবং লাইন অফ কন্ট্রোলে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লংঘন করে ক্রমাগত শেলিং, সঙ্গে কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে জঙ্গি নাশকতা দুই প্রতিবেশী চীন আর পাকিস্তান হাত মিলিয়ে সীমান্তে উস্কানি এবং প্রক্সি ওয়ার খেলে চলেছে ভারতের বিরুদ্ধে। আর সময়ে সময়ে ইসলামাবাদ কাশ্মীর ইস্যুকে আন্তজার্তিক ইস্যুতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার জিগির তুলে চলেছে। ভারত দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে এই ইস্যুতে শান্তি স্থাপনের বার্তা দিলেও পাক প্রশাসনের ছিঁচকাঁদুনে মনোভাব থেকে থেকে জেগে উঠছে। অন্যদিকে ড্রাগন পূর্ব লাদাখে ভারতীয় সেনাকে উস্কানি দিয়ে চলেছে। অরুণাচল প্রদেশে চীন নজর গেড়ে বসে রয়েছে। সঙ্গে নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশের মতো ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলো আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে নিত্য নতুন ফ্রন্ট খুলে চলেছে।

এমন এক পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীন আর পাকিস্তানকে নিশানা করে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ শুধু দেশবাসীর কাছেই নয়, চীন- পাকিস্তান এবং আন্তজার্তিক মঞ্চে ভারতে অবস্থানকে স্পষ্ট করে তোলে।