Lifestyle:যখন চিকিৎসা বিদ্যা’র নাম আবিষ্কার হয়নি তখন থেকেই ভারতে প্রচলিত আয়ুর্বেদ।

এই আয়ুর্বেদ চর্চা ভারতে আজ না,বহুকাল আগে থেকেই।একসময় রোজকার জীবনে(Lifestyle) এই ধরনের চর্চা ছিলো ঘরে ঘরে।

মা-ঠাকুমা-দিদিমা ঘরোয়া নানান টোটকায় কত রোগের নিরাময় করে ফেলতেন তখন।

পরবর্তীকালে সেই টোটকা বিজ্ঞানসম্মত ভাবে প্রমাণিত হয়।অনেক ভেষজ গুন আবিষ্কৃত হয় এবং সেগুলো থেকে ওষুধ তৈরি করা শুরু হয়।

তুলসী সেই সকল ভেষজ ওষুধের মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি উপাদান।ঠান্ডা লাগা, সর্দি কাশি ঘরোয়াভাবে নিরাময়ে তুলসীর জুড়ি মেলা ভার।

কিন্তু এইসব ছাড়াও তুলসীর আরও কিছু গুণ রয়েছে।রোজের লাইফস্টাইলে(Lifestyle) তুলসীর উপকারিতা কি?চলুন আজ সেগুলো জেনেনি।

তুলসী গাছের পাতা থেকে ডাল সবই ব্যবহার করা যায়।এমনকি কখনও খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেও তুলসী ব্যবহার করা যায়।

Lifestyle : Survey on diabetes patients directly

প্যানিক্রিয়া বেটা সেলের কার্যক্ষমতা বাড়ায় তুলসী।ইনসুলিন ক্ষরণকেও প্রভাবিত করতে পারে তুলসী।

তুলসীর এই ভেষজ গুন সম্পর্কে ধারণা করার জন্য নটিংহ্যাম বিশ্ব বিদ্যালয়ে সম্প্রতি ৬০ জনের ওপরে একটি সমীক্ষা চালান।

৬০ জনই টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জনকে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে বলা হয়েছিল।

বাকি ৩০ জনকে সকল অন্যান্য ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ রেখে তার পরিবর্তে দিনে ২৫০ মিলিগ্রাম করে তুলসী নির্যাস সমৃদ্ধ ক্যাপসুল খেতে দেওয়া হয়েছিল।

এই ক্যাপসুল এর নাম হলো হোলি বেসিল। ৯০ দিন ধরে এই সমীক্ষা চলেছিল।

সমীক্ষা শেষে দেখা গিয়েছিল যে সমস্ত ব্যক্তিরা তুলসী খেয়ে ছিলেন তাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত এবং স্বাভাবিক ছিল।

তার জন্য কোনভাবেই তাঁরা ইনসুলিন নেননি বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কোন ঔষধ খাননি।

অর্থাৎ শুধুমাত্র তুলসী খেয়েই ভালো ছিলেন তাঁরা।এমনিতেও তুলসী রোগপ্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ানো এবং রোগ নিরাময়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে তুলসী অমৃতর মতো। তাই তুলসী কাঁচা কাঁচা খাওয়া যেমন যায় তেমনি তুলসী চাও বানানো যায়।

রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম জলে কয়েকটি তুলসী পাতা দিলেন।তারপর দু থেকে তিন মিনিটেই জল ফোটালেন।

তারপর পাতা ছেঁকে সেই জলটা খেয়ে নিতে পারেন।অত্যন্ত উপকারী এবং ঘরোয়া টোটকা এটি।

আরও পড়ুন : দিনে কাপ তিন, উপকার অনেক (lifestyle)