নিউজপোল ডেস্ক:‌ সারাদিন ঠাকুর দেখে ক্লান্ত। রান্নাবান্না আর করতে ইচ্ছে করছে না। বাড়ি থেকে বেরিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে যেতেও ইচ্ছে করছে না। অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলোর কল্যাণে এসব পরিস্থিতিতে আর সমস্যা হয় না। এবার সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার পরিচালিত হরিণঘাটা। কাচা বা প্রসেসড মাংসর পাশাপাশি মোমোও সরবরাহ করবে তারা।
রোল, বিরিয়ানির থেকে এখন জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে এতটুকু পিছিয়ে নেই এই তিব্বতি খাবার। শোনা যায়, তিব্বতেই নাকি মোমোর জন্ম। সেখানে ব্যবসা করতে যেতেন নেপালের কাঠমাণ্ডু উপত্যকার নেওয়ার উপজাতির লোকজনরা। তাঁরাই মোমোর রেসিপি শিখে আসেন। ধীরে ধীরে এই মোমোর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ক্রমে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এই মোমো। উত্তর–পূর্ব ভারতে বহু যুগ ধরে দারুণ জনপ্রিয় মোমো। ক্রমে তাঁদের হাত ধরে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এখন বাঙালি হোক বা তেলগু, মোমো ছাড়া উৎসবে রসনা তৃপ্তই হয় না।


স্বাভাবিকভাবেই এই দুর্গাপুজোতেও ব্যতিক্রম হবে না। সারা দিন ঝাল–মশলা খাওয়ার পর রাতে হালকা কিছু খেতে ইচ্ছে করবে। সেক্ষেত্রে চাইনিজের পাশাপাশি মোমোও খাওয়া চলতে পারে। এই বিষয় মাথায় রেখেই হরিণঘাটা মোমো ডলিভারি করবে। অর্ডার করলে বাড়ি বসে প্রসেসড মাংসের পাশাপাশি মোমোও পেতে পারেন। মোমোর স্বাদেও কিন্তু বেশ অভিনবত্ব এনেছে তারা। চিকেন ক্লাসিক মোমো তো মেনুতে থাকবেই। পাশাপাশি থাকবে চিকেন তন্দুর মোমো। মোমোর পুর হিসেবে ভরা থাকবে চিকেন তন্দুরি। নিরামিষ খেতে চাইলে তাও পাবেন। পালক আর সুইট কর্ন মোমো। দাম কিন্তু সাধ্যের মধ্যে। ৯০ থেকে ১০০ টাকা। রাজ্যে হরিণঘাটার ২৫২টি বিপণি রয়েছে। আপনার বাড়ির কাছে যেটি, সেখানে অর্ডার দিলেই বাড়ি এসে হাজির হবে গরম গরম মোমো। আর যদি জমিয়ে মাংস রাঁধতে ইচ্ছে হয়, সেই সুযোগ তো রয়েইছে। মুরগি, হাঁস বা টার্কির মাংস অর্ডার করুন। আলু, পেঁয়াজ, রসুন কেটে অপেক্ষা করুন। যে কোনও সময়ই হাজির হবে মাংস।