নিউজপোল ডেস্ক: ‘মেয়েমানুষের আর কবে আক্কেল হবে’, এই ধরনের মন্তব্য বইপত্রে কমবেশি অনেকেই পড়েছেন। এমনকী, অনেকে হয়তো নিজে কানে অনেক ব্যক্তিকে বলতেও শুনেছেন এই কথা। কিন্তু মহিলাদের এই ধরনের কথা বলে যাঁরা ব্যঙ্গ করেন, তাঁদের আক্কেল কত বছর বয়সে হয়, জানেন? সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ৪০ বছর না হলে পুরুষরা পরিণত হন না। এবার? বাকিটা নিজেরাই বিচার করুন!
ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ডের একদল গবেষক পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে কী কী পার্থক্য রয়েছে, সেই বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। চার থেকে ৪০ বছরের ১২১ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন এই পরীক্ষায়। নারী ও পুরুষ উভয়েই ছিলেন এই তালিকায়। তাঁদের প্রত্যেকের এমআরআই করা হয়েছিল। তারই নিরিখে দেখা গেল যে, নারী ও পুরুষ, উভয়ের মস্তিষ্কই প্রায় একরকম কর্মক্ষমতাসম্পন্ন। তবে সামান্য যে পার্থক্য রয়েছে, তা হল মহিলাদের তুলনায় দেরিতে পরিণত হন পুরুষরা। এক্ষেত্রে গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন, ৪০ বছর লাগে পরিণত হতে। মেক্সিকো ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এডুয়ার্ডো ক্যালিক্সটো এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় হরমোনের প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।
বেশ কয়েক দশক আগে আমেরিকায় একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। বইটির নাম ‘লাইফ বিগিন্স অ্যাট ফোর্টি’ অর্থাৎ ৪০-এ জীবন শুরু। কিন্তু সে তো অনেক আগের কথা। জীবন যে ৪০ বছরে শুরু হয়, সেই কথা তুলে গা বাঁচানও অনেকে। যদিও নেহাত মজার খাতিরেই। কিন্তু প্রায় এক শতক পর সেরকম কথাই যে সত্যি হয়ে উঠবে, তা বোধহয় অনুমান করেননি কেউই। ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ডের গবেষকরা যেন সেই কথাই প্রমাণ করলেন।