নিউজপোল ডেস্ক: ‘লাভ জেহাদ’ শব্দটির প্রথম উৎপত্তি হয় ২০০৯ সালে। অভিযোগ ওঠে, কেরলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ভুলিয়ে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে, এবং এরপর তাদের নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। লাভ জেহাদ নিয়ে সে সময় উত্তাল হয়েছিল কেরল। আবার সেই বিতর্ক উস্কে দিল ওই রাজ্যের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মাথা সিরো-মালাবার গির্জা। কেরল পুলিশ লাভ জেহাদের বিষয়টি যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে গির্জার তরফে। কার্ডিনাল জর্জ অ্যালেনচেরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া যাজকদের (বিশপ) এক আলোচনা চক্রের (সাইনোড) পর গির্জার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কেরলে লাভ জেহাদের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

গির্জার তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে খ্রিস্টান মেয়েদের এভাবে জঙ্গি গোষ্ঠীতে ভুলিয়ে নিয়ে যাওয়ার ফলে রাজ্যের শান্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কার্ডিনাল জর্জ অ্যালেনচেরি বলেছেন, ‘এটা সত্যি খ্রিস্টান মেয়েদের নিশানা করে লাভ জেহাদ চলেছেই। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী ২১টি মেয়ে সম্প্রতি আইসিসে যোগ দিয়েছে যাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি খ্রিস্টান।’ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও রয়েছে অসন্তোষ। তারা বিষয়টিকে শুধুমাত্র ধর্মীয় ইস্যু হিসেবে দেখছে বলে গির্জার তরফে অভিযোগ। ধর্মীয় ইস্যু হিসেবে না দেখে বিষয়টি শান্তি-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখা উচিত বলে এই ক্যাথলিক গির্জা কর্তৃপক্ষের মত।