নিউজপোল ডেস্ক: ‘দিদিকে বলো’ হেল্পলাইন নিয়ে ইতিমধ্যেই সারা বাংলায় জল্পনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গবাসীর অভাব-অভিযোগের কথা শুনবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী, এমনই উদ্যোগ এই হেল্পলাইনের। যদিও সরকারের এই পদক্ষেপ আদৌ কতটা কার্যকরী, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার অপরাধে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হলেন ছ’জন পড়ুয়া। এমনই ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রের মহাত্মা গান্ধী অন্তরাষ্ট্রীয় হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ে (এমজিএএইচভি)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লেখার জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। তাঁদের প্রতিনিধিত্বে ছিলেন ছাত্রনেতা চন্দন সরোজ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা এই চিঠির বিষয় ছিল দেশের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতি। মব লিঞ্চিং, ধর্ষণ এমনকী, কাশ্মীরের মতো ইস্যু ছিল এই চিঠির বিষয়। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানিয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, এই পরিস্থিতি রোখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিলেন। বাধাপ্রাপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা গান্ধী হিলের প্রবেশদ্বারের সামনে শ্লোগান দিতে শুরু করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই চন্দন সরোজসহ নীরজ কুমার, রাজেশ সারথি, রাজনীশ আম্বেদকর, পঙ্কজ ভেলা এবং বৈভব পিম্পলকর নামে মোট ছ’জনকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাসপেন্ড করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংবাদসূত্রে জানা গেছে।
দেশের হালহকিকত সম্পর্কে পড়ুয়ারা তাঁদের মতামত প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে জানাতেই পারেন। কিন্তু সেই কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘটনা নিন্দনীয় বলেই মনে করছেন বিশিষ্টজনরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে।