ভূমিকম্পের সতকর্তা আগেই ছিল। সেইমতো বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়েও নেওয়া হয়। রাত ২.২৭ নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে নিউজিল্যান্ডের নিউক্যালেডোনিয়া, ভানুয়াতু। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.‌৭। সুনামি হতে পারে ভেবে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয় প্রশাসনের তরফে। নিউজিল্যান্ডের উত্তরের দ্বীপগুলিতে মূলত কম্পনের তীব্রতা অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পর সুনামির ঢেউ ১০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে আগেই অনুমান করেছিল আবহাওয়াবিদরা। সরকারের তরফে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সুনামি আছড়ে পড়লে কারোর যাতে কোনওরকম বিপদ না ঘটে সেজন্য আগেভাগেই সবাইকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষপর্যন্ত সুনামি হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন অংশে ঘন ঘন ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির ক্রিয়াকলাপ অনুভব করা গেলেও এর আগে ভূমিকম্পের এত শক্তিশালী রূপ দেখা যায়নি বলেই মত নিউজিল্যান্ডের জরুরি পরিষেবা সংক্রান্ত বিভাগের মন্ত্রী কিরি অ্যালানের। তাঁর আরও সংযোজন, ভূমিকম্পের হওয়ার ফলে দেশের সমস্ত দ্বীপগুলিতেই সুনামির একটা আশঙ্কা ছিলই। ভূমিকম্প হলেও বিরাট কোনও ক্ষতি হয়নি। উল্লেখ্য, এবারের ভূমিকম্পে কোনও হতাহতের খবর না মিললেও ১০ বছর আগে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে সেবার ১৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।