নিউজপোল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ৭০ বছরে পড়লেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর জন্মদিনে দেশের নেতাদের পাশাপাশি শুভেচ্ছা বার্তা এল বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের কাছ থেকেও। মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল নিজের শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘প্রিয় নরেন্দ্র’ বলে উল্লেখ করেন। গত বছর ইন্দো-জার্মান আন্তঃপ্রশাসনিক বৈঠকের ‘মধুর স্মৃতি’র কথা নিজের শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করেন তিনি। মার্কেলের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা প্রধানমন্ত্রী দফতরের অফিসিয়াল ট্যুইট হ্যান্ডেল থেকে শেয়ার করা হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর মোদীর উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘আপনাকে ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। বিশেষ করে এই কঠিন সময়ে আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকার কামনা করি। গত কয়েক বছরে আমরা দুজনে ভারত ও জার্মানির মধ্যে ঐতিহাসিক ভাবে ভালো সম্পর্ককে আরও মজবুত করে তুলেছি।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সাফল্য প্রার্থনা করেন জার্মান চ্যান্সেলর। মোদীকে ৭০তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তিনি তাকে সম্মান করেন বলে জানিয়েছেন পুতিন। ভারতকে সামাজিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়তির পথে চালনা করার জন্য মোদীকে অভিনন্দন জানান পুতিন। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ভবিষ্যতেও মোদীর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পুতিন।

মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সান্না মারিন। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠিতে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আরও মজবুত সম্পর্ক গড়ে তুলতে ফিনল্যান্ড আগ্রহী। অর্থনীতি, মুক্ত বাণিজ্য এবং মানবাধিকার প্রসঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’ নরেন্দ্র মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিও। ভারত ও নেপালের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রধান একসঙ্গে কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্যুইট করে মোদীর জন্য সুস্বাস্থ্যের প্রার্থনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দরিদ্র মানুষদের রেশন বিতরণ থেকে রক্তদান শিবির এবং চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের মতো নানা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।