এতদিন যার গলার আওয়াজে সহজে ভালো হয়ে যেত সেই আজ সবার মন খারাপ করে দিলেন। এতদিন সকালবেলায় সবাই অভ্যস্ত ছিল হারিয়ে যাওয়া রেডিও রেওয়াজ, নতুন করে মন ভালো রাখতে মীরের গলা দিয়ে শুধুমাত্র সকালের শুরুটা। এবার সেই মির্চি মীরের গলা শোনা যাবে না রেডিও মির্চিতে। তবে মীরের বক্তব্য রেডিও মির্চি ছাড়লেও রেডিও কে ছাড়ছেন না তিনি।

তবে মীরের এই সিদ্ধান্ততে মন খারাপ শ্রোতাদের। সোশ্যাল মিডিয়াতে তার এই সিদ্ধান্তের খবর শোনার পর তার ভক্তরা মন খারাপ করে প্রত্যেকে তাদের কষ্টের বার্তা দিয়ে ফেরত আসার আর্জি জানাচ্ছে। সবার মুখে একই কথা, সকালের ম্যান ছাড়া সকালটা শুরু হবে কিভাবে। ঠিক সেই ভাবেই কেউ আক্ষেপের সাথে বলে, ‘তুমি ছাড়া রেডিও মিরচি ভাবা যায় না।’ তবে এই বিষয়ে বলা বাহুল্য আধুনিক যুগে যখন সত্যিই রেডিওর প্রচলন কমেছিল তখন একমাত্র মীর এই রেডিও কে নতুন করে বিলুপ্ত হওয়া থেকে বাঁচিয়েছিল।

শুধু তাই নয় নতুন প্রজন্মকে একপ্রকার অভ্যাসের দাস হিসেবে রেডিও এর মাধ্যমে সকালের ঘুম ভাঙাতে সাহায্য করেছিল। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০২২ এই যাত্রাটা যেমন মীরের কাছে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি ভাবে তার ভক্তদের কাছেও ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। মীরের ভক্তদের পাশাপাশি বাঙালি অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জির মন খারাপ। এই খবর শুনে স্বস্তিকা তার নিজস্ব ফেসবুক ওয়াল থেকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন সেখানে তিনি বলেন, ‘রেডিওর সঙ্গে প্রেমের সংজ্ঞাটা আজ বদলে গেল। কত সহস্র শ্রোতার মতো আমিও গুমড়ে মরছি।’ তার পাশাপাশি রেডিওতে তাড়াতাড়ি ফেরত আসার জন্য বন্ধু মীরকে অনুরোধ জানান অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন : Amartya Sen: দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উত্তাল অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন