নিউজপোল ডেস্ক:‌ ২০১৮ সালে হরিয়ানায় কন্যাসন্তান জন্মানোর অনুপাত ৯২৪। অর্থাৎ প্রতি ১০০০ জন ছেলে পিছু ৯২৪ জন মেয়ে জন্মায় এই রাজ্যে। বিভাজন?‌ অসাম্য?‌ প্রধানমন্ত্রী তা মনে করছেন না। তিনি একেই সাফল্য বলছেন। হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে মোদী বললেন, ‘মেয়েদের বাঁচাতে ‌হরিয়ানা এভাবে এগিয়ে না এলে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্প সফল হত না’‌।
প্রধানমন্ত্রী চরখি দাদরিতে একটি প্রচারসভায় আরও বললেন, ‘শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বেসরকারি সম্মেলনে বসেছিলাম। তিনি জানালেন, দঙ্গল ছবিটি দেখেছেন, যেই ছবিতে ভারতের মেয়েদের দারুণ পারফরম্যান্স তুলে ধরা হয়েছে। ‌এটা শুনে হরিয়ানা সম্পর্কে দারুণ গর্বিত হলাম’‌। এর পর তিনি তুলে ধরেন, হরিয়ানার মেয়েদের জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বলেন, ‘‌মেয়েদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী এবং স্বনির্ভর করতে বেশ কিছু সরকারি প্রকল্প চালু হয়েছে। এই বাজেটে আরও কিছু সুযোগ–সুবিধাও দেওয়া হয়েছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলারা অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা ঋণও নিতে পারবেন’‌।
এর পর প্রধানমন্ত্রী কুরুক্ষেত্রেও প্রচারসভা করেন। সেখানে উসকে দেন যুদ্ধের আবেগ। বলেন, ‘‌দশেরাতে ভারতের হাতে প্রথম রাফাল তুলে দেওয়া হয়েছে। আপনারা খুশি নন, যে আমরা প্রথম রাফাল ঘরে এনেছি। আমরা গর্বিত যে আমাদের দেশ শক্তিশালী হচ্ছে। সারা দেশে যখন খুশি, তখন কেন কংগ্রেস এটাকে নেতিবাচক করে তুলছে, জানি না’‌। আরও বলেন, ‘‌বিজেপি সরকার এর মধ্যেই করতারপুর করিডোর তৈরির কাজ শেষ করেছে। সাত দশক আগে যে রাজনৈতিক বা কৌশলগত ভুল হয়েছিল, তা অনেকটাই শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করছি’‌। এভাবে যে আসলে কংগ্রেসকেই খোঁচা দিচ্ছেন মোদী, তা আর বলতে হয় না।