দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে প্রথমবার ভোট প্রার্থী হয়ে জয় পেয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরপরই কৃষ্ণনগরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন মুকুল। তৃণমূল সূত্রে খবর এমনটাই খবর। তৃণমূলে মুকুলকে পুনর্বাসন হিসাবে রাজ্যসভার সাংসদ করে পাঠানো হতে পারেও বলে খবর।

বিজেপি সূত্রেও খবর, কৃষ্ণনগরের বিধায়ক পদ ছেড়ে দিচ্ছেন মুকুল রায়। এখন সেই আসনে উপনির্বাচন হলে তৃণমূলের তরফে মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে খবর। বীজপুর আসন থেকে বিজেপির হয়ে একুশের ভোটে লড়া শুভ্রাংশুর কয়েকদিন আগে এক ফেসবুক পোস্ট থেকেই আঁচ শুরু হয় যে, তিনি তৃণমূলে ফিরছেন। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে মুকুল ও শুভ্রাংশু তৃণমূলে যোগদান করার পর পিতা-পুত্রকে পুনর্বাসন দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মুকুল রায় আগের পদে ফিরে এলে কোনও সমস্যা হবে না।

অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। পরে যোগ দেওয়া বিজেপিতে। আর এক রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া সবং থেকে এবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ওই দুই পদে তৃণমূল কাকে সাংসদ হিসাবে পাঠাবেন তাই নিয়ে চাপানউতোর চলছিল। উঠে এসেছিল ভবানীপুর আসন থেকে জয়ের পরেও বিধায়ক হিসাবে সেই পদ থকে পদত্যাগ করা শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়ের কথা। যদিও সেই সম্ভাবনা নিজেই উড়িয়ে দিয়েছেন শোভনদেব।

তাছাড়া, বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলে যোগ দেন যশবন্ত সিনহা। অটল বিহারী বাজপেয়ী জমানার মন্ত্রীকে তৃণমূল রাজ্যসভায় পাঠাতে পারে বলে শোনা গিয়েছে। তবে অন্য একটি আসনে এখন মুকুলকেই পাঠানো হতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।