নিউজপোল ডেস্ক:‌ যোগ শেখানোর গুরুদক্ষিণা গাঁজার ছিলিম। চাইছেন খোদ বাবা রামদেব। কুম্ভ মেলার নাগা সাধুদের কাছে। তাঁকে দেবেন, কি দেবেন না, সেই নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত আখড়ার নাগা সাধুরা।
চাইছেন যদিও, নিজে খাবেন বলে নয়। তাঁরা যেনে ছেড়ে দেন। কারণ ছিলিম টানলে তাঁদের শরীর খারাপ হবে। তখন যোগাভ্যাস করেও লাভ হবে না। এ বছর কুম্ভে নাগা সাধুদের আখড়ায় যোগ শেখাতে গেছিলেন বাবা রামদেব। সেখানেই ‘‌নেশামুক্ত ভারত’‌ গড়ার ডাক দেন তিনি। সাধুদের বোঝাতে দেবদেবীর উদাহরণ টানেন। বলেন, ‘‌দেখেছেন কি, ভারতের কোনও ধর্মগ্রন্থ বা প্রাচীন ছবি, ইমারতে কোনও দেবদেবী নেশা করছেন?‌ তাঁদের কিন্তু এসব অস্বাস্থ্যকর অভ্যেস ছিল না।’
এর পরই চিন্তায় পড়েন সাধুরা। নির্মোহী আখড়ার শ্রীমাহন্ত রাজেন্দ্রদাসজি মহারাজ ছিলিম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। জানান, ‘‌জাগতিক মোহ–মায়া কাটিয়ে তবেই সাধু হওয়া যায়। অথচ আমরা, সাধুরা নেশা ছাড়তে পারি না। এটাও এক ধরনের দুর্বলতা। বুঝে নেশাটা ছেড়ে দিলাম।’‌
গলায় রুদ্রাক্ষ, হাতে ছিলিম। কুম্ভে নাগা সাধুদের এটাই চেনা ছবি। গায়ে কাপড় থাকে না। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে ছিলিমই একমাত্র পথ। এবার সেই ছিলিমই দক্ষিণা হিসেবে চাইলেন গুরু রামদেব।