নিউজপোল ডেস্ক: নেতাজি এবং পণ্ডিত নেহরুর মধ্যে রাজনৈতিক আদর্শের যে মতানৈক্য রয়েছে, সেকথা অল্পবিস্তর আমরা সবাই-ই জানি। কিন্তু একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সুভাষচন্দ্র বোসের পরিবারের ওপরেও বিশেষ নজরদারি চালাতেন নেহরু।

জীবিত থাকাকালীন নেতাজির প্রত্যেক পদক্ষেপ জরিপ করত ইংরেজ সরকার। অন্তর্ধানের পর তাঁর পরিবারের ওপর নজরদারি চালিয়েছিলেন স্বয়ং পণ্ডিত নেহরু। প্রায় ২০ বছর ধরে চলেছিল এই নজরদারি। নেতাজির ভাইপো, আত্মীয়রা কখন, কী করছেন, এ বিষয়ে সমস্ত তথ্য যেত নেহরুর কাছে। এক্ষেত্রে প্রধান নিশানায় ছিলেন সুভাষচন্দ্রের বড় ভাই শরৎ বসুর দুই ছেলে শিশির কুমার বসু এবং অমিয়নাথ বসু। দাদার মতো এই দুই ভাইপোও নেতাজির খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাই তাঁদের ওপর এই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছিলেন পণ্ডিত নেহরু।

এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। কেউ কেউ মনে করেন, সুভাষচন্দ্র বসুর জনপ্রিয়তাকে ভয় পেতেন নেহরু। তাই তাঁর অন্তর্ধানের পরেও ভয় পেতেন, পাছে তিনি ফিরে আসেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করতেন, নেতাজির কোথায় অন্তর্হিত হয়েছেন, সেই রহস্য উন্মোচনের জন্যই এই নজরদারি। আবার অনেকে এই ঘটনাকে প্রকাশ্যে উড়িয়ে নেহরু ও নেতাজির সুসম্পর্কের কথা জানিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নজরদারির এই ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে বিস্তর মতপার্থক্য রয়েছে। তেমনি প্রশ্ন উঠেছে ঘটনার সত্যতা নিয়েও। কারণ যা-ই হোক না কেন, নেতাজির মতো দেশপ্রেমিকের উপর নজরদারির ঘটনা দেশবাসী তথা নেতাজির পরিবারের সদস্যদের কাছেও অপমানজনক।