বিভিন্ন মহল থেকে একের পর এক অনুরোধ আসা সত্ত্বেও কোভিড টিকার উপর জিএসটি-র ছাড় দিলেন না কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, যেহেতু কেন্দ্র টিকা কেনার দায়িত্ব নিয়েছে, তাই জিএসটি তুলে নেওয়ার অনুরোধ রাখা কোনও মতেই সম্ভব নয়। তবে শনিবারের কোভিড টিকা এবং সরঞ্জামের উপর অর্পিত কর নিয়ে বৈঠকের পর করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত একাধিক পণ্য এবং ওষুধে জিএসটি কমিয়েছেন তিনি। করমুক্ত করেছেন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধ। এক নজরে দেখে নিন কী কী ঘোষণা করেছেন তিনি-

১. কোভিড টিকার উপর ৫ শতাংশ জিএসটি থাকছে।

২. ৭৫ শতাংশ টিকা কিনবে কেন্দ্র। এই টিকার জিএসটি থেকে যে আয় হবে, সেটার ৭০ শতাংশ রাজ্যগুলিকে ভাগ করে দেবে কেন্দ্র।

৩. করোনায় চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

৪. হেপারিনের ক্ষেত্রেও ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হবে।

৫. কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে যে ওষুধের অনুমোদন দেবে, তার উপর ৫ শতাংশ জিএসটি থাকবে।

৬. ব্ল্যাক ফাঙ্গাস অর্থাৎ মিউকরমাইকোসিসের ওষুধ টসিলিজুমাব এবং অ্যাম্ফোটেরিসিন বি-র ওপর কোনও জিএসটি থাকবে না।

৭. করোনা পরীক্ষার যন্ত্রপাতির উপর জিএসটি থাকবে ৫ শতাংশ।

৮. মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, এবং অক্সিজেন জেনারেটরের উপরেও জিএসটি ৫ শতাংশ থাকছে।

৯. হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ জিএসটি থাকবে।

১০. পাল্‌স অক্সিমিটারের উপরেও জিএসটি ৫ শতাংশ।

১১. আরটিপিসিআর কিট, আরএনএ এক্সট্র্যাকশন উপরে আগের মতো ১৮ শতাংশ জিএসটি থাকবে।

১২. জিনোম সিকোয়েন্সিং কিটে ১২ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হবে।

১৩. অ্যাম্বুল্যান্সের উপর জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে।