গত জুলাইয়েই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা দিয়েছেন কোরিয়ার কিম।

নিউজপোল ডেস্ক: কিম-রাজত্বে সময় ভালো যাচ্ছে না উত্তর কোরিয়ার! করোনা-লকডাউন পর্বে ধাক্কা খেয়েছে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি। দেশে করোনাভাইরাস থাবা বসাতে পারেনি দাবি করলেও আর্থিক মন্দা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে পিয়ংইয়ং। গত দু’দশকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে দেশের অর্থনীতি। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সামরিক বাজেটে কাটছাঁট করতে নারাজ কিম। এমন সময়েও শাসকের স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তের শিকার হচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার নাগিরকরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার এক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, গত জুলাইয়েই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা দিয়েছেন কোরিয়ার কিম। তাঁর কথায়, ‘পশুপালন করলেও গরিব মানুষ বাড়িতে কুকুর পোষে না। উচ্চবিত্তরাই কুকুর পোষে।’ এতেই নাকি চটেছেন কিম জং উন। আর তাই রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে পোষ্য কুকুর রাখা চলবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। কিমের নির্দেশমতোই কোন কোন বাড়িতে পোষ্য কুকুর রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে উঠে পড়ে লেগেছেন সরকারি আধিকারিকরা। প্রশাসনের তরফে মতাদর্শের কথা বলা হলেও, কোরিয়ার পোষ্য-প্রেমীরা এর পিছনে অন্য কারণ দেখছেন। সম্প্রতি খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। কিমের নির্দেশ এই কারণেও হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই কারণেই এবার পোষ্য কুকুর নিধনের নির্দেশ দিলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন। তাঁর এই খামখেয়ালি নির্দেশের জেরে সংকটে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা। পিয়ংইয়ংয়ের বাসিন্দাদের আশঙ্কা, মতাদর্শের কথা বলা হলেও, আদতে রেস্তোরাঁয় বিক্রি করে দেওয়া হবে পোষ্য কুকুরগুলিকে। প্রসঙ্গত, চিন-কোরিয়ায় কুকুরের মাংস খাওয়ার চল রয়েছে কয়েক শতাব্দী ধরে। কুকুরের মাংস গ্রীষ্মের মোকাবিলা করতে সাহায্য করে বলেও বিশ্বাস করেন ওই দেশগুলির অনেকেই।