নিউজপোল ডেস্ক:‌ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার পাথুরে রাস্তা ধরে হেঁটে চলেছে। সারে সারে। সীমানা পেরিয়ে ঢুকছে চীনে। না না এ কোন পাচারের গল্প নয়, নিছকই ব্যবসা। গাধার ব্যবসা।
জীবকূলের সর্বাপেক্ষা বোকা জীব বলে হেয় করা হয় যাকে, সেই গাধাই বদলে দিতে চলেছে পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যের রূপরেখা। আনছে বিদেশি মুদ্রা।


দলে দলে গাধা রপ্তানি করছে পাকিস্তান। খদ্দের চীন। ইসলামাবাদ দিয়ে সীমান্ত পার করছে গাধার দল। চীন ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বের আরও দৃঢ় হল। গাধার হাত ধরে। তাই এখন ইসলামাবাদ বিভিন্ন সবজির পাশাপাশি গাধাও চাষ করছে। থুড়ি পালন করছে। পাখতুনখোয়া প্রশাসন জানিয়েছে, খুব শিগগিরই চীন সরকারের সঙ্গে গাধা রপ্তানির চুক্তি সই হবে৷

কিন্তু সেক্ষেত্রে হয়েছে বিপদ। ইসলামাবাদে যত গাধা আছে, সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, বেশ কিছু গাধা দুর্বল। প্রথম ধাপে তাই দুর্বল গাধাগুলিকে পাঠানো হবে। তারপর ধীরে ধীরে গাধা পালন করে চীনের চাহিদা পূরণ করবে পাকিস্তান। মূলত মাংস ও অন্যান্য জৈবিক দ্রব্যের জন্য চীন গাধা আমদানি করছে।
এতদিন পাকিস্তান তুলো, কাপড়, শস্য রপ্তানি করত। এবারে গাধা। মোট ৮০ হাজার গাধা চীনে পাঠাচ্ছে পাকিস্তান৷ এর জন্য পাকিস্তানে গাধা পালন ফার্মে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার লগ্নি করবে চীনা সংস্থা৷ পাকিস্তানে পাখতুনখোয়ায় বেশিরভাগ বাসিন্দার জীবিকা গাধা পালন। গাধা রপ্তানি করে এবার ৭০ হাজার পরিবার লাভের মুখ দেখবেন।