ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে মারা গিয়েছেন অনেক স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীই। তাঁদের মধ্যেই একজন হলেন কাকুরগাছির বিজেপি(Bjp) কর্মী অভিজিৎ সরকার(Avijit Sarkar)।

তাঁর দেহ ইতিমধ্যেই দুবার ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এখন তাঁর দেহ হস্তান্তর করা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআরএস হাসপাতাল(NRS Hospital) চত্বর।

পুলিশের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির(Bjp) কর্মী-সমর্থকরা। সূত্রের খবর, হোমগার্ডকে চড়ও মারেন এক বিজেপি(Bjp) নেতা।

যদিও বর্তমানে মৃতদেহ হস্তান্তর করে দেওয়া হয়েছে বলেই জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিজেপির(Bjp) সদর দপ্তর হয়ে অভিজিৎ সরকারের দেহ তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।

গত ২রা মে বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়। তার পরপরই শুরু হয় ভোট পরবর্তী হিংসা।

তখনই কাকুড়গাছিতে বিজেপি(Bjp) কর্মী অভিজিৎ সরকারের বাড়িতেও হামলা চলে। রাজ্য পুলিশ ভোট পরবর্তী হিংসার যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় মামলা গড়ায় আদালত(Calcutta High Court) পর্যন্ত।

বর্তমানে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার অন্তর্গত খুন, গণধর্ষণ এবং ধর্ষণের মতো বড় ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিবিআই (CBI)।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে একাধিকবার অভিজিৎ সরকারের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আজ, বৃহস্পতিবার, অভিজিৎ সরকারের মৃতদেহ তাঁর বাড়ির লোকের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল।

আজ সকাল থেকেই এনআরএসের সামনে ভীড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি(Bjp) কর্মী – সমর্থকরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবী, এই কারণেই মৃতদেহ হস্তান্তর করতে দেরি হয়ে যায় অনেকটাই।

মৃতদেহ পেতে দেরী হওয়ায় মেজাজ গরম হয়ে যায় বিজেপি(Bjp) নেতা দেবদত্ত মাজির।

রাজ্য পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। বচসা ক্রমশ ধস্তাধস্তির রূপ নেয়।

এরপর হাসপাতালে ঢুকে মর্গের নিরাপত্তারক্ষার দায়িত্বে থাকা হোমগার্ডকে(Home guard) চড়ও মারেন তিনি। সেই ছবি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

যদিও বিজেপির(Bjp) তরফে এই চড় মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তারা।

চড় মারার বিষয়টি সত্য কিনা তা যাচাই করে দেখবে বিজেপি(Bjp)।

সত্যি প্রমাণিত হলে এই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

অবশেষে দেহ পাওয়ার পর প্রথমে তা বিজেপির(Bjp) সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তারপর বিজেপি(Bjp) কর্মী সমর্থকরাই সেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেন।