নৃশংস ঘটনার সাক্ষী থাকল পাকিস্তান। এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল পাঁচ জনের বিরুদ্ধে। আরও জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামীকে বেঁধে রেখে তাঁর সামনেই নির্যাতন চালানো হয়। অভিযুক্তরা এখন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাব প্রদেশের ঝিলম শহরে। পাকিস্তানের (Pakistan) সবচেয়ে বেশি জনবসতি এই প্রদেশে। পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার হঠাৎই ওই মহিলার বাড়িতে ঢোকে পাঁচ দুষ্কৃতি। ওই মহিলা অন্তঃসত্ত্বা। জোর করেই তারা বাড়িতে ঢুকেছিল বলে জানা গিয়েছে। তার পরে নির্যাতিতার স্বামীকে মারধর করে তারা। এর পরে দড়ি দিয়ে অন্তঃসত্ত্বার স্বামীকে বেঁধে রাখে ওই পাঁচজন।

স্বামীর সামনেই মহিলাকে ধর্ষণ (Pakistan Gangrape) করে ওই পাঁচজন। তারপরেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ওই পাঁচ দুষ্কৃতি। জানা গিয়েছে, নিজেই হাসপাতালে গিয়েছিলেন ওই নির্যাতিতা। সেখানেই হাসপাতালের কর্মীদের সমস্ত ঘটনা জানান তিনি। হাসাপাতালের তরফ থেকেই স্থানীয় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান হয়। শারীরিক পরীক্ষার জন্য লাহোরে পাঠানো হয়েছে নির্যাতিতার দেহের নমুনা।

কিছুদিন আগেও এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল পাকিস্তানে। চলন্ত ট্রেনে এক মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল দুই টিকিট চেকার। অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষণের অভিযোগে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

এহেন পরিস্থিতিতেই একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মহিলা ধর্ষিতা হন পাকিস্তানে। গত সাত বছরে প্রায় বাইশ হাজার ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে পাকিস্তানে। নারী বিদ্বেষী দেশগুলির মধ্যেও অন্যতম পাকিস্তান। জানা গিয়েছে, গত ছয় মাসে ৯০ জনকে পরিবারের সম্মান রক্ষার নামে খুন করা হয়েছে।