নিউজপোল ডেস্ক: ভূত নিয়ে গল্পের শেষ নেই, গুজবেরও শেষ নেই। কিন্তু যদি ভূতের জন্যেই একটা আস্ত মন্দির হয় চমকে যাবেন না? বাস্তবিক চমকানোর মতোই কথা। মন্দির তাও আবার ভূতের জন্যে! রাজস্থানের দুষা জেলার এক প্রাচীন মন্দির, নাম শ্রী মেহান্দিপুর বালাজি। স্থানীয় এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় মন্দিরটি ‘ভূত ঝাড়ানোর মন্দির’ হিসেবে পরিচিত। লোক মুখে চাউর আছে এই মন্দিরের প্রবল শক্তি রয়েছে। চরম কোনও নাস্তিকও এখানে  এলে আস্তিকে পরিণত হয়। নির্ভীক মানুষও ভয় পেতে পারে। শুধু তাই নয় একজনকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে এই মন্দির। মন্দিরে বীর হনুমানের পুজো হয়। পুরোহিতেরা বলেন ‘ভগবান হনুমান হলেন প্রেতাত্মার রাজা’। ভৈরব দেবতারও পুজো হয় এই মন্দিরে। শ্রী মেহান্দিপুর বালাজি মন্দিরে বীর হনুমানের যে মূর্তিটি রয়েছে তা আনুমানিক ১০০০ বছরের পুরনো। বিংশ শতকে তৈরি হওয়া এই মন্দিরে রয়েছে ঈশ্বরের দান আর কালা জাদু, এমনটাই বিশ্বাস দুষা জেলার মানুষের। আর পাঁচটা মন্দিরে দেব-দেবীকে যেমন ফুল অর্পণ করা হয়, এখানে তেমনটা নয়। কোনও ফুলই দেওয়া হয় না, প্রাচীন আমল থেকে কালো রঙের গোলাকৃতি প্রসাদের প্রচলন রয়েছে মন্দিরে। শ্রী মেহান্দিপুর বালাজি মন্দিরে সারাদিনই ঘণ্টা বাজে, মন্ত্রপাঠ হয়। ভূতের ভাবনা না থাকলেও ভূত দেখার ভূত মাথায় যে চাপবে না তা কেই বা বলতে পারে!