নিউজপোল ডেস্কঃ শাসক দলের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে গত ডিসেম্বরেই পদ্ম শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েই ৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটি সম্মতিতে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে, জুট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত করা শুভেন্দুকে। যদিও তাঁর পদটি ছিল অস্থায়ী। কিন্তু দু’মাস এই পদের কাজ সামলানোর পরই জুট কর্পোরেশনের অস্থাযী চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু। যা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

তবে সেই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র দাবি, নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ততা বাড়ছে। সেই কারণেই শুভেন্দু ইস্তফা দিয়েছেন। ইতিমধ্যে বাংলায় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কমিশন। চলতি মাসের ২৭ তারিখে প্রথম দফার ভোট হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে ফেলতে তৎপরতা বেড়েছে বঙ্গ বিজেপির নেতা নেতৃত্বদের মধ্যে। তৃনমূলের সাথে সম্পর্ক ভুলে গেরুয়া শিবিরে যেতেই প্রায় প্রতি দিনই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেখা যাচ্ছে দাপুটে এই নেতাকে। শুধু তাই নয় বারং বার নাম না করে শাসকদলের নেতাদের তুলোধোনা করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর রোষানল থেকে বাদ পড়েননি স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

আগামীকাল দিল্লিতে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক। সেখাই শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে প্রথম দুই দফা ভোটের প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অন্যদিকে সূত্রের খবর নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়াতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে রাজনৈতিক মহলে। ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জিকে ‘হাফ লাখ’ ভোটে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেক্ষেত্রে নন্দীগ্রাম থেকে তিনি ভোটে দাঁড়ান কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। প্রসঙ্গত, ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় নন্দীগ্রামে হতে চলেছে নির্বাচন।