নিউজপোল ডেস্ক: অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডকে ২৫১ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এজবাস্টনে এই দুর্দান্ত জয়ের নায়ক স্টিভ স্মিথ। নির্বাসন কাটিয়ে একবছর পর টেস্ট ক্রিকেটে নেমেই দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৪ এবং ১৪২) হাঁকিয়েছেন স্মিথ। তাঁর দুরন্ত পারফর্ম্যান্সের প্রশংসায় শচীন তেন্ডুলকরও। এজবাস্টন টেস্টের নায়ক যদি স্মিথ হন তবে খলনায়ক দু’জন, আর তারা ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার নন। জোয়েল উইলসন এবং আলিম দার-কে এই ম্যাচের ‘খলনায়ক’ বেছেছেন অনেকেই। গোটা ম্যাচে দু’জনে মিলে মোট ১৫টি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। এর প্রভাব পড়েছে জোয়েল উইলসনের উইকিপিডিয়া পেজে। উইকিতে তাঁর পরিচয়ের সূচনা দেওয়া হচ্ছে এই ভাবে, ‘জোয়েল শেলডন উইলসন, (জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬৬) একজন অন্ধ আন্তর্জাতিক আম্পায়ার…।’

এজবাস্টনে এই দৃশ্য দেখা গেছে বার বার।

ত্রিনিদাদ এবং টোব্যাগোর আম্পায়ারের উইকি পেজ ঘাঁটাঘাঁটি করা হলেও পাকিস্তানের আলিম দারের পেজ ঠিকই আছে। ‘অন্ধ’ শব্দটি দ্রুত তুলে নেওয়া হলেও গল্প থামেনি। এরপর লেখা হয়, ‘জোয়েল শেলডন উইলসন, (জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬৬) কোনও আন্তর্জাতিক আম্পায়ার নন।’ ফের সংশোধন করা হয়েছে উইকিপিডিয়ার পেজটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই আম্পায়ারটি এখন আইসিসির এলিট প্যানেলের তালিকায় আছেন। অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্টে আম্পায়ারদের, বিশেষ করে জোয়েলের ভুল সিদ্ধান্ত দেওয়ার বহর দেখে বিস্মিত প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। শেন ওয়ার্নের মতো কেউ কেউ বলছেন, অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের ম্যাচে নিরপেক্ষ আম্পায়ার রাখার কোনও অর্থ নেই। কারণ, রিচার্ড কেট্‌লবরো বা নাইজেল লংয়ের মতো সেরা আম্পায়ারদের এখানে পাওয়া যাচ্ছে না।