অতিমারির সময় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানেরগুলি।কিন্তু ২০২২ এ সেই চিত্র পাল্টাতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

করোনার প্রথম ঢেউয়ে সমগ্র পৃথিবী কঠিন ভাবে ভেঙে পড়লেও দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রথম বারের তুলনায় বেশি স্থিতিশীলতা দেখা গেছে।

তাই AON Survey সমীক্ষা অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে ২০২১ সালের তুলনায় গড় বেতন বৃদ্ধি পেতে পারে ২০২২ সালে।

সমীক্ষা অনুযায়ী এই বছর ৮.৮% থেকে ২০২২ সালে আনুমানিক গড়ে ৯.৪% বেতন বৃদ্ধি পেতে পারে।

সম্প্রতি প্রকাশিত সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের বেশিরভাগ ব্যবসা ও টেকনিক্যাল বিষয়গুলো সম্পর্কে আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দেখা দিচ্ছে। বেশিরভাগ ব্যবসা সম্পর্কে আগামী বছর বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে কোম্পানিগুলোর মধ্যে। এক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা প্রায় ৯৮.৯% কোম্পানির ক্ষেত্রে।

অন্যদিকে ভারতীয় শিল্প সংস্থাগুলো আগামী বছর ঘুরে দাঁড়াবে এই আশঙ্কাও সমীক্ষার ফলাফল থেকে পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ ২০২২ এ ২০১৯ এর আর্থিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার মতো প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে সংস্থা গুলির মধ্যে।

তবে সমীক্ষায় স্পষ্টত উল্লেখ করা আছে, করোনা অতিমারির সময় প্রতিযোগিতায় থাকতে গেলে ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে দেশকে। সমগ্র পৃথিবী জুড়েই নতুন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ শুরু হয়েছে।

সে ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যমকে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আরও উন্নত করতে হবে।জানা গেছে ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা সম্পন্ন কর্মচারীরা চলতি বছরে সবথেকে বেশি সফল, কারণ বর্তমানে মার্কেটে প্রযুক্তিগত দক্ষতা সম্পন্ন কর্মীদেরই সবথেকে বেশি প্রয়োজন।

তাই প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে উন্নত এবং দক্ষ কর্মীর বেতন বাড়ানোর প্রবণতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হচ্ছে। তাহলে কোন সেক্টরে সবথেকে বেশি বেতন বৃদ্ধির আশা করা যায়?

রিপোর্ট অনুযায়ী আশা করা যাচ্ছে ভারতের সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধির শীর্ষে তিনটি ক্ষেত্র হলো- প্রযুক্তি, ই-কমার্স এবং আইটি ই এস।হাইটেক অথবা ইনফরমেশন টেকনোলজী, ই-কমার্স এবং পেশাগত পরিষেবা মত সেক্টরগুলিতে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি হয়েছে।

এই সমীক্ষা অনুযায়ী ৩৯ টি শিল্পের ১৩০০ কোম্পানির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।