নিউজপোল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের মাত্রা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এই প্রজন্ম শুধু নয়, সব বয়সের মানুষই নেটদুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত কৌতূহলী। এই তালিকায় ফেসবুক, টুইটার, গুগলের নাম রয়েছে। এগুলির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়ছে মিথ্যে খবরাখবর ছড়ানোর মাত্রাও। বর্তমানে এই ধরনের সমস্যা রোখার জন্য সরকারের পক্ষে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবুও ভুয়ো খবর ছড়ানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে ভারত। এমনকী, সম্প্রতি এক গবেষণা জানাচ্ছে, সেন্সরশিপ রিকুয়েস্ট পাঠানো অর্থাৎ ভুয়ো খবর রোখার অনুরোধ জানানোর দিক থেকে অন্যান্য দেশকে পেছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে আমাদের দেশই। ইংল্যান্ডের সংস্থা কম্প্যারিটেক সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ফেসবুক, টুইটার, মাইক্রোসফ্‍ট, গুগল, উইকিমিডিয়ায় করা ব্যবহারকারীদের সেন্সরশিপ অনুরোধের ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছে এই তালিকা। ২০০৯ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৮ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত এই দীর্ঘসময়ে ফেসবুক, টুইটার, মাইক্রোসফ্‍ট, গুগলে শুধু ভারতীয়রাই ৭৭,৬২০টি সেন্সরশিপ রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছেন। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, ওই চারটি সংস্থার মধ্যে শুধু ফেসবুকেই এই ধরনের অনুরোধ জানানো হয়েছে ৭০,৮১৫টি। যা ভারতের করা মোট সেন্সরশিপ অনুরোধের ৯১.২৩ শতাংশ। এই তালিকায় এই দেশই শীর্ষে রয়েছে। ৭৭,১৬২টি অনুরোধ পাঠিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাশিয়া। এই তালিকায় পাকিস্তান রয়েছে অনেক নীচে। মাত্র ৯,৭৭১টি সেন্সরশিপ রিকুয়েস্ট পাঠানো হয়েছে সেই দেশ থেকে। ভারতের ক্ষেত্রে যে ধরনের পোস্টে নজরদারির অনুরোধ বেশি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচন সংক্রান্ত খবরাখবরও রয়েছে বলে সংবাদসূত্রে জানা গেছে।
সেন্সরশিপ অনুরোধের তালিকায় শীর্ষস্থানে আমাদের দেশ থাকায় স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠে আসে, তাহলে কি অনলাইন মাধ্যমে ভুয়ো খবর বা ভুল তথ্য পরিবেশনে ভারতই এগিয়ে? যদি সেরকম হয়, তা যে দেশ ও দশের ক্ষেত্রে ভয়াবহ, বলা বাহুল্য।