সোমবার সকালেই নক্ষত্রপতন। চলে গেলেন বিশিষ্ট পরিচালক তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar) । অভিভাবক হারালো বাংলা বিনোদন জগত। গত মাসের ১৪ তারিখ কিডনিজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে। তারপর থেকেই লড়াই চলছিল। অবশেষে হার মানলেন ‘জীবনপুরের পথিক’। তবে পরিপূর্ণ জীবন বেঁচেছেন তিনি। নিজের সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে আজীবন বাঙালির মনে ঘর করে থাকবেন তিনি।

তরুণ মজুমদারের (Tarun Majumdar) প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক তরুণ মজুমদারের প্রয়াণে (Tarun Majumdar) আমি গভীর শোকপ্রকাশ করছি। তিনি আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। ভিন্নধারার রুচিসম্মত সামাজিক চলচ্চিত্র নির্মাণে তরুণ মজুমদার উজ্জ্বল নিদর্শন রেখে গিয়েছেন। তাঁর ছবিতে রবীন্দ্রসংগীতের প্রয়োগ দর্শককে আবিষ্ট করে রাখে।”

মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “তাঁর ছবিতে রবীন্দ্রসংগীতের প্রয়োগ দর্শককে আবিষ্ট করে রাখে। তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar) পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র , বালিকা বধূ, শ্রীমান পৃথ্বীরাজ, ফুলেশ্বরী, দাদার কীর্তি, ভালবাসা ভালবাসা, সংসার সীমান্তে, গণদেবতা, শহর থেকে দূরে, পথভোলা, চাঁদের বাড়ি, আলো ইত্যাদি উল্লেখের দাবী রাখে। তিনি পদ্মশ্রী, জাতীয় পুরস্কার, বিএফজেএ পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণ চলচ্চিত্র জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তরুণ মজুমদারের (Tarun Majumdar) পরিবার পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”

সোমবার বেলা ১১.১৭ মিনিটে ‘ভালোবাসার বাড়ি’ ছেড়ে চলে গেলেন তরুণ মজুমদার (Tarun Majumdar)। ১৯৫৯ সালে ছবির জগতে পা রাখা মানুষটি কাজ করেছেন শেষজীবন পর্যন্ত। ২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল তরুণ মজুমদার পরিচালিত ‘ভালোবাসার বাড়ি’। দীর্ঘ ছ দশক ব্যাপ্ত তরুণ মজুমদারের কর্মজীবন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলিপাড়া জুড়ে।

আরও পড়ুন:Godhuli Alaap: ১০০ তম পর্ব পার গোধূলি আলাপের