আজ ৮ ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (International Literacy Day )।

সমীক্ষা বলছে, বর্তমানে পৃথিবীতে মোট জনসংখ্যার গড়ে পাঁচ জনের মধ্যে একজন ব্যক্তি অশিক্ষিত।

অশিক্ষার অন্ধকারে অনেক দেশের বহু অঞ্চলের মানুষ নিমজ্জিত রয়েছে কুসংস্কার এবং অপসংস্কৃতিতে। তাদের জীবন, যুগের চাহিদার সাথে তাল মেলাতে পারছে না।

তাদের জীবনের উন্নতির গতিপথ কুসংস্কারে ভরা। একমাত্র শিক্ষার আলোই পারে মানুষের জীবনে প্রকৃত মুক্তির স্বাদ এনে দিতে।

একজন প্রকৃত শিক্ষিত( Literacy ) মানুষ মুক্তি লাভ করে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং মানসিক দিক থেকে। 

একমাত্র শিক্ষাই ব্যক্তি জীবনের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করে। তাই সবার প্রয়োজন সাক্ষরতার।

কবে থেকে সূচনা এই বিশেষ দিনটির?

জনসাধারণের সাক্ষরতার উদ্দেশ্যেই ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ১৪তম অধিবেশনে ৮ ই সেপ্টেম্বর দিনটিকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণার দিনটি ছিল ১৯৬৬ সালের ২৬ শে অক্টোবর। তারপর অর্থাত্‍ ১৯৬৭ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

শিক্ষার আলো ব্যক্তি সম্প্রদায় তথা সমাজের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একমাত্র শিক্ষাই মানুষের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত নিরসনে সহায়তা করে। 

তাই শুধুমাত্র নিরক্ষর থেকে স্বাক্ষর হলেই হবে না , প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে হবে।

একজন অশিক্ষিত মানুষকে অত্যন্ত সহজেই সংঘর্ষের মধ্যে যুক্ত করে দেওয়া যায়। কিন্তু একজন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের ক্ষেত্রে তা সহজ হয় না।

ইউনেস্কোর তরফ থেকে প্রতি বছর পৃথিবীর নানা প্রান্তে যে 

সব ব্যক্তিরা জনসাধারণের সাক্ষরতার উদ্দেশ্যে আপ্রাণ কাজ করে চলেছেন তাঁদেরকে পুরস্কৃত করা হয়।

শিক্ষা সবার অধিকার। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠব আমরা সকলে।