নিউজপোল ডেস্কঃ ওষুধের মতো গুনে ভরা তুলসি। প্রাচীন কাল থেকে তুলসীর ভেষজ গুণ নিয়ে আলোচনা করে এসেছেন মুনি ঋষিরা। আজও সেই একইভাবে মানুষের রোগপ্রতিষেধকের কাজ করছে তুলসি পাতা ।তুলসী পাতার ব্যবহারে মানুষের কী কী উপকার হতে পারে,জেনে নেওয়া যাক….
মুখের গন্ধঃ
মুখের গন্ধ কমাতে তুলসী পাতা সাহায্য করে। তুলসীর নিজস্ব একটা গন্ধ আছে, যা মুখের গন্ধ দূর করে।
চোখের সমস্যাঃ
তুলসী পাতায় চোখের সমস্যা অনেকটা কমে। ভিটামিন ডি–র ঘাটতির কারণে যে চোখের রোগ হয়, তা কমাতে সাহায্য করে তুলসী পাতা।

বয়স রোধ করাঃ
ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে যা বয়সজনিত সমস্যাগুলো কমায়। তুলসী পাতাকে যৌবন চিরকাল ধরে রাখার টনিক ও মনে করেন কেউ কেউ।

রোগ নিরাময় ক্ষমতাঃ
তুলসী গাছের ঔষধি-গুণাবলি সমৃদ্ধ গাছ। তুলসীকে নার্ভের টনিক বলা হয় এবং এটা স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য বেশ উপকারী। এটি শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মাঘটিত সমস্যা দূর করে। তুলসী পাতা পাকস্থলীর ও কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

মানসিক চাপঃ
তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে। এ ছাড়াও তুলসী পাতার রস শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মাথা ব্যথাঃ
মাথা ব্যথা ও শরীর ব্যথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী। এর বিশেষ উপাদান মাংশপেশীর খিঁচুনি রোধ করতে সহায়তা করে।

শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাঃ
ঠান্ডা লাগলে তুলসী পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। গলার সব রকম সমস্যায় তুলসী পাতা ব্যবহৃত হয়।

হার্টের অসুখঃ
তুলসী পাতায় আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো হার্টকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে সহায়তা করে। তুলসী পাতা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও এর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।