জুনিয়র কুস্তিগির সাগর রানাকে খুনের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল সুশীল কুমারকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন অলিম্পিক পদকজয়ী কুস্তিগির সুশীল কুমার। পুলিশের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছিলেন তিনি। পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজে বেরালেও কিছুতেই ধরা দিচ্ছিলেন না সুশীল কুমার। সুশীল কুমারের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের অভিযোগ। দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে চত্বরে একটি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন সুশীল কুমার। আর সেই ঝামেলায় মারপিট করেন সুশীল কুমার। আর মারপিটের জেরে প্রাণ হারান বছর ২৩ শের এক কুস্তিগির। মৃত কুস্তিগিরের নাম সাগর রানা। আর এই খুনের অভিযোগেই সুশীল কুমারকে খুঁজে বেরাচ্ছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে ধরা পড়লেন সুশীল কুমার। পাঞ্জাবের জলন্ধরের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই খুনের সঙ্গে জড়িত সুশীল কুমারের আরেক সঙ্গী অজয় কুমারও জড়িত রয়েছেন। আর তাকেও এতদিন ধরে পুলিশ খুঁজে বেরাচ্ছিল। অজয় কুমারকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৪ মে ঘটনাটি ঘটে। তারপর থেকেই সুশীল কুমার ও তার বন্ধু অজয় কুমারের মোবাইল বন্ধ ছিল। পুলিশ যোগাযোগ করতে চাইলেও কোনও যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। পুলিশ সুশীল কুমারের বাড়িতে হানা দেয় কিন্তু দেখা যায় সেখানেও নেই সুশীল কুমার। প্রসঙ্গত, সুশীল কুমারের খোঁজ পাওয়ার জন্য পুলিশের তরফে ১ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। সুশীল কুমারের সন্ধান এনে দিতে পারবে যে ব্যক্তি তাঁকে ১ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে পুলিশ প্রচার চালাচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এতদিন ধরে পাঞ্জাবের ভাতিণ্ডায় কোনও এক গোপন ডেরায় লুকিয়ে ছিল সে। মৃত কুস্তিগির সাগর রানার পরিবারের অভিযোগ,দেশের তরুণ কুস্তিগিরদের মধ্যে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় কুস্তিগির ছিল তাঁদের ছেলে। কিন্তু সুশীল কুমার ও তার সঙ্গীরা অকারণে মেরে ফেলল আমাদের ছেলে সাগরকে। এর বিচার চাই। শাস্তি চাই সুশীল কুমার ও তার সঙ্গীদের।