চালু হতে চলেছে দিল্লি মেট্রো পরিষেবা।

নিউজপোল ডেস্ক: শনিবারই চতুর্থ ধাপের আনলকিং-এর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানেই বলা হয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে খুলবে মেট্রো পরিষেবা। এ দিকে, রবিবারও দেশে করোনায় একদিনে সংক্রমণের সংখ্যা সর্বাধিক। রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত ৭৮,৭৬১ জন। এক দিনে মৃত্যু হয়েছে ৯৪৮ জনের। এ দিনের পর ভারতে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৫ লক্ষ ছা়ড়িয়ে গেল। করোনা আবহে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর ফের চালু হতে চলেছে দিল্লি মেট্রো পরিষেবা। তার আগে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। রবিবার এই নিয়ে দিল্লি সরকারের জারি করা নির্দেশিকায় বেশ কয়েকটি কড়া নিয়মের কথা বলা হয়েছে। প্রতি কোচে সীমিত সংখ্যক যাত্রী, টোকেনে নিষেধাজ্ঞা, বাধ্যতামূলক স্মার্ট কার্ড-সহ বিভিন্ন নিয়ম চালু করা হচ্ছে।

মেট্রোর এয়ার কন্ডিশন সিস্টেমও ঢেলে সাজানো হবে, যাতে কোচের ভেতরে তাজা বাতাসই ঘোরাফেরা করতে পারে। দিল্লির পরিবহণ মন্ত্রী কৈলাস গেহলট এ কথা জানানোর পাশাপাশি আরও বলেন, ‘সর্বাধিক তাজা বাতাস যাতে কোচের ভেতরে আসতে পারে, সে জন্য বাতানুকূল ব্যবস্থা নতুন করে সাজানো হবে। মেট্রোর ভেতরে তাপমাত্রা কী রাখা হবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, সব স্টেশনে ট্রেন থামবে না। ধাপে ধাপে স্টেশনগুলি খোলা হবে। প্রতিটি স্টেশনে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হবে থার্মাল স্ক্রিনিং, মেনে চলা হবে সোশ্যাল ডিসট্যানসিং। দেওয়া হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

গেহলট আরও জানিয়েছেন, ‘টোকেন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এর ফলে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। প্রত্যেকবার টোকেন সংক্রমণমুক্ত করা সম্ভব নয়। সফর করার জন্য মানুষকে স্মার্ট কার্ড বা অন্য কোনও মাধ্যম ব্যবহার করতে হবে।’ স্টেশন খোলার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘সব স্টেশন খোলা হবে না। কনটেইনমেন্ট জোনে থাকা স্টেশনগুলি খুলবে না। তা ছাড়াও বেশ কিছু স্টেশন বন্ধ রাখা হবে। কোন কোন স্টেশন খোলা থাকবে, তার তালিকা যাত্রীদের দিয়ে দেওয়া হবে।’ এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কী ভাবে মেট্রো পরিষেবা চালু হয়, সে দিকেই নজর রয়েছে শহরবাসীর।