নিউজপোল ডেস্ক:‌ শৌচালয়েও মোবাইল নিয়ে ঢোকেন!‌ তার পর সেই মোবাইল হাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেন?‌ সাবধান‌!‌ এখনই অভ্যেস না পাল্টালে বিপদ। হতে পারে অর্শ। বলছেন চিকিৎসকরা।
মোবাইল হাতে কীভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়, আপনি টেরও পান না। এই একই কাণ্ড ঘটে শৌচালয়েও। হোক না গরম। হোক বদ্ধ জায়গা। হাতে আপনার মোবাইল। তাই আপনার অজান্তে অনেকটা সময় কেটে যায়। অনেকক্ষণ ধরে কমোডে বসে থাকার কারণে আপনার রেক্টামের (‌পায়ু)‌ নীচের অংশে অ্যানাসের শিরায় চাপ পড়ে। এর ফল কিন্তু ভয়ঙ্কর হতে পারে। নয়ডার জেপি হাসপাতালের চিকিৎসক দীপঙ্কর শঙ্কর মিত্র জানালেন, বহুক্ষণ ধরে কমোডে বসে থাকলে লোয়ার রেক্টাল মিউকোসার ওপর চাপ পড়ে। এর ফলে পাইলস, ফিসার হতে পারে। এটা কিন্তু স্মার্টফোনের কুপ্রভাব ভাবলে চলবে না। মনে করিয়ে দিলেন গুরুগ্রামের চিকিৎসক নবীন কুমার। কমোডে দীর্ঘক্ষণ বসে স্মার্টফোল ঘাটলে এই সমস্যা হতে পারে। মোবাইলের বদলে বই পড়লেও কিন্তু একই সমস্যা হবে, সতর্ক করলেন তিনি। বছরের পর বছর এ রকম করলে পায়ু থেকে রক্তপাতও হতে পারে। সঙ্গী হবে যন্ত্রণা।


সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ ব্রিটিশ শৌচালয়ে মোবাইল নিয়ে ঢোকেন। এবং সেখানে বসেই মেল চেক করেন। চ্যাট করেন। ফেসবুকে পোস্ট দেখেন বা দেন। ৮ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা যখনই শৌচালয়ে ঢোকেন, তখনই মোবাইল নিয়ে ঢোকেন এবং এসব করেন। গুরুগ্রামের ফর্টিস হাসপাতালের চিকিৎসক বিজেন্দ্র কুমার সিনহার মতে, শৌচালয়ে বসে থাকার সময় মানুষ মলত্যাগের চেষ্টা করেন। ক্রমাগত। সে যতক্ষণই বসে থাকুন না কেন। আর এই চাপ দিতে গিয়েই পাইলস, ফিসার হয়।