কথায় আছে, জীবনে প্রথম পৃথিবীর আলো দেখান মা বাবা, তারপরেই আসেন আমাদের গুরু তথা শিক্ষক।

যেকোনো বাচ্চার প্রথম সামাজিক জীবনে পা দেওয়া হয় তার বিদ্যালয় যাওয়ার মধ্য দিয়ে।

সেই মানুষটির হাত ধরেই আমরা সামাজিক জীবনে সমস্ত বাঁধা বিপত্তি কাটিয়ে চলতে আর পাশাপাশি জীবনের হাজার চড়াই উতরাই পার করতে শেখায় আমাদের শিক্ষকই।

জীবনে চলার পথে যেসমস্ত জ্ঞান লাগে, সেইসব জ্ঞান সমৃদ্ধ করার চেষ্টায় যিনি আমাদের নানানভাবে প্রতিনিয়ত আমাদের সাহায্য করেন তিনিই আমাদের শিক্ষাগুরু।

ছোটবেলা থেকেই শিক্ষকের প্রতি এক অগাধ সম্মান, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা নিয়েই ছোট থেকে পথ চলতে শুরু করে সকলে।

জীবনে চলার পথে ঠিক – ভুল সবকিছুর ব্যাখ্যা দিয়ে, অনেকে বন্ধুর মত মিশে, সবসময়ই আমাদের বাঁচিয়ে চলেন শিক্ষক।

বর্তমানে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিন ৫ই সেপ্টেম্বর গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে পালিত হয় ‘শিক্ষক দিবস’।

প্রথাগত ভাবে স্বাধীন ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন ড: শ্রী সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ।

তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে এই দিনটিকেই শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয় এখন গোটা ভারতবর্ষে।

একজন সুদক্ষ দার্শনিক, দক্ষ রাজনীতিবিদ এবং তারও উপরে একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক হিসেবে তাঁর সুনাম সমগ্র ভারতবর্ষে।

তাঁর শিক্ষা দানের পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর অগাধ ভালবাসার জন্য তাঁর নাম বিশ্ববিখ্যাত।

এই সুনাম ও সুব্যবহার বারবার তাঁকে টেনে নিয়ে গেছে বিশ্বের নানান উচ্চ মাপের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলকাতায় বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গায় পড়িয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি, তাঁর নিজের ছাত্রদের থেকে সবসময় পেয়েছেন অগাধ সম্মান ও ভালবাসা।

প্রসঙ্গত, একবার সেই প্রসঙ্গেই ছাত্রছাত্রীদের থেকে তাঁকে অনুরোধ করা হয় তাঁর জন্মদিন উদযাপন করার।

সেইদিনই তিনি প্রথম তিনি তাঁর ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে তাঁর জন্মদিন শুধু জন্মদিন হিসেবে নয়,

আজ থেকে তাঁর জন্মদিনে যেন প্রতি বছর শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।